নাক পিন

চোখের ভেতর অদৃশ্য মায়ার স্নপ্ন , দর্পণ জানে
দেয়াল খোলে দেখলে হৃদয়, চোখে প্রেম টানে
কে কার, কে’ই বা চড়ে বেড়ায় আপন গৃহে,
বুঝতে গিয়ে, বুঝে নিলে-
আঁচলে ঢাকলে নারী, ওড়নার যুবতীর বাড়ি।

তোমার সাথে তো কারো প্রেম হওয়া কথা!
সে কি দেখেছে, দেখেছে তোমার ছায়া ঘ্রাণ
আর রোদ্দুর স্নান সেরে ছড়ানো কেশ ভর্তি সুরাত?
ঢাকবে কি আর, ঢেকেছো আপন ছায়া  নিজ প্রেমে।

যেদিন তোমার নিশ্বাসে ভেসেছিলো প্রেম শ্বাস
ভেতরে উৎপন্ন হয়েছিলো ছুঁয়ে দেবার আশ্বাস।
তুমি সেদিন সেজেছিলে কারো হয়ে,
নিজেকে সাজিয়ে, তুমি তোমার নও
তোমার ভেতরে একান্ত স্পন্দন নেই
তোমার ছায়া একা কোথাও মিশেনি;
তাই-
মিছে মিছে স্বপ্ন সাজিয়ে দেখতে চোখে রাজ গৃহ
আঁখিতে ভাসিয়ে প্রেম আঁকতে যুবকের আয়ত্তা
হৃদয় কলমে লিখতে অচেনার নামে তালিকা।
যেখানে একটি নামই ছিলো?
তুমি নিজেও জানতে না!
জানতে কি?

দর্পন মেলে তাকাতে,
নিজের প্রতিচ্ছবিতে পেতে কারো স্পর্শ
কুচকে যেতে নিজের ভেতরে
ওড়না ছেড়ে আঁচলে ঢেকতে গিয়ে উর-
টের পেয়েছিলে এ তোমার সম্পদ নয়, কারো প্রেম প্রার্থনার মন্দির।

নিজস্বতা বিসর্জনে চোখের সরল জলে এঁকে নিলে
তোমার নিশ্বাসেই বাসবাস করে কেউ।
যে কি তোমার অগুচরে চুমুতে মুছে জামানো সুখ?
বিলিয়ে দেয় সমীরণে তোমার নিজস্বতা?
এসবে একান্ত সরোবর সাজিয়ে বসলে।

আর ডায়রিতে লিপিবদ্ধ করেছিলে
এই যুবক! যেখানেই থাকো,
যে গৃহে’ই নিজের সংসার আঁক,
তুমি তো জান’ই
সে স্থানে প্রথম আঘাতে প্রেম এঁকেছি।
নিশ্বাসে যেখানে স্পন্দন হবে , দর্পণে হবে ছায়া আমার।
যুবক,তুমি আমার প্রথম ও শেষ সঙ্গী,নাক পিন।

এই নাক পিনেই হবে তোমার বসবাস।

Leave a Comment